মিথ্যা খুনের মামলায় আসামি হয়ে ঘরছাড়া আম্বিয়ার স্বামী আজগর আলী। দিন যায়, মাস যায়, বছর পেরিয়ে যায়। আজগরের খোঁজ পাওয়া যায় না। সংসারের বোঝা আর স্বামী হারানোর শোকে বিধ্বস্ত আম্বিয়া একদিন সুই-সুতা হাতে তুলে নিল। দীঘল সুতার মায়াবী অক্ষরে তার সুখ-দুঃখের জীবনালেখ্য তুলে ধরতে শুরু করল প্রতীকীভাবে। দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস ধরে আম্বিয়া তার জীবনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনার ইতিকথা ফুটিয়ে তুলল সেই সুতার ক্যানভাসে। শিল্পকর্মটি এত জনপ্রিয়তা পেল যে সেটার দ্বারা আম্বিয়া তার ভাগ্যের চাকাই ঘুরিয়ে দিল।

  1. হাতে তৈরি সুতা থেকে কোন জাতীয় কাপড় তৈরি হয়?
  2. ভৌগোলিক অবস্থান লোকশিল্পের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলে, বর্ণনা করো।
  3. উদ্দীপকে আম্বিয়া যে লোকশিল্পটি তৈরি করেছে, তার বর্ণনা দাও।
  4. আম্বিয়ার লোকশিল্পটি ‘আমাদের লোকশিল্প’ প্রবন্ধের সমগ্রতাকে ধারণ করে, মন্তব্যটির সত্যতা যাচাই করো।

আরবের ইয়েমেন প্রদেশে বাস করত হাতেম তাই নামে অতি সাধারণ এক যুবক। কিন্তু তার বদান্যতা, পরোপকারিতা, সুন্দর ও মার্জিত আচরণ, সদা হাস্য মুখ, সদালাপ ও বন্ধুবাত্সল্যের কারণে সবার মুখে মুখে হাতেমের নাম ধ্বনিত ও প্রতিধ্বনিত হতো। কিন্তু ইয়েমেনের রাজা বিষয়টি ভালোভাবে নিলেন না। অঢেল সম্পদ ও রাজ্যের মালিক হয়েও তাঁর নাম ছাপিয়ে হাতেমের জয়ধ্বনি তিনি কোনোভাবে মানতে পারলেন না। তাই হাতেমকে হত্যার জন্য রাজা এক গুপ্ত ঘাতক পাঠালেন। ঘাতক হাতেমের বাড়ি গিয়ে হত্যার পরিবর্তে বরং হাতেমের গুণমুগ্ধ হয়ে ফিরে আসে এবং রাজাকে সব খুলে বলে। রাজা তাঁর নিজের ভুল বুঝতে পারেন।

  1. এক পাউন্ড মাংসের জন্য শাইলক কোথায় ছুরি ধার দিতে লাগল?
  2. পোর্শিয়ার পাত্র বাছাইয়ের গূঢ়তত্ত্ব কী ছিল?
  3. উদ্দীপকের রাজার কর্মকাণ্ডে ‘মার্চেন্ট অব ভেনিস’ গল্পের যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে, তা ব্যাখ্যা করো।
  4. হাতেম তাই ও অ্যান্টনিও যেন একবৃন্তের দুটি ফুল, মন্তব্যটির সত্যতা যাচাই করো।

হাশেম সাহেব বাংলাদেশের একজন প্রধান শিল্পপতি। বিভিন্ন শিল্পকারখানায় তার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ। আগামী বছর এটা বাড়িয়ে ৭০ হাজার কোটিতে নিয়ে যেতে চান। এ জন্য সম্ভাবনাময় সব খাতেই তিনি কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে থাকেন। তাঁর ব্যবসার শাখা-প্রশাখা এত বেড়ে যায় যে এতগুলো প্রতিষ্ঠানের খোঁজখবর রাখাই তার পক্ষে দুষ্কর হয়ে পড়ে। এসবের চিন্তায় রাতে তার ঘুম হয় না। ঘুমের ওষুধ খেয়ে তাকে ঘুমাতে হয়। কিন্তু সেদিন যে ঘুমালেন আর উঠলেন না। চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

  1. পাখোমের প্রতিবেশী মহিলার কতটুকু জমি ছিল?
  2. পাখোমের স্বপ্নের মমার্থ কী ছিল?
  3. হাশেম সাহেবের মধ্যে ‘সাড়ে তিন হাত জমি’ গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে, তা ব্যাখ্যা করো।
  4. হাশেম সাহেব ও পাখোমের পরিণতি একসূত্রে গাঁথা, মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই করো।

অষ্টম শ্রেণির ছাত্র আসিফ ও চিন্ময় দুই বন্ধু। দুজনের হাতের কবজিতেই দুটো লাল সুতা বাঁধা। আসিফ ওর খাজা বাবার কাছ থেকে আর চিন্ময় ওর গুরুদেবের কাছ থেকে সুতা দুটো এনেছে। শিক্ষক হাতে এগুলো বেঁধে রাখার কারণ জানতে চাইলে দুজনেই বলে, ‘সামনে বার্ষিক পরীক্ষা তো তাই।’ তা ছাড়া তারা উভয়েই ঘরের বাইরে যাওয়ার সময় দরজায় হোচট খেলে একটু বসে জল খেয়ে যাত্রারম্ভ করে, জোড়া শালিক দেখলে আনন্দিত হয়, খেতে বসে বিষম খেলে ভাবে, কোনো প্রিয়জন হয়তো স্মরণ করছে তাদের।

  1. সোহরাবের পিতামহের নাম কী
  2. সোহরাবের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে রোস্তম তার আত্মপরিচয় গোপন রাখল কেন?
  3. আসিফ-চিন্ময়ের আচরণে ‘সোহরাব-রোস্তম’ গল্পের যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
  4. উক্ত দিকটির কারণেই ‘সোহরাব-রোস্তম’ গল্পের বেদনাদায়ক পরিণতি সংঘটিত হয়েছে—মন্তব্যটির সতত্যতা যাচাই কর।

হালিম ও রতন খুব ভালো বন্ধু। একজন অপরজনের খুব বিশ্বস্ত। ঈদে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার সময় হালিম রতনের কাছে একটি ব্যাগ রেখে যায়। যাওয়ার সময় বলে যায়, ব্যাগে কিছু কাপড়চোপড় আছে।

    সেগুলো যেন যত্ন করে আলমারিতে রেখে দেয়। কৌতূহলবশত এক দিন রতন ব্যাগ খুলে দেখে—প্রচুর পরিমাণ বিদেশি ডলার ও সোনার চেইন। রতন ডলার ও সোনার চেইন নিয়ে কাপড় দিয়ে ব্যাগভর্তি করে রেখে দেয়।

  1. আলী কোজাই পেশায় কী ছিলেন?
  2. কিশোর বালকের বিচারক্ষমতা দেখে খলিফা কী করলেন?
  3. উদ্দীপকটি ‘কিশোর কাজি’ গল্পের কোন দিকটি মনে করিয়ে দেয়—ব্যাখ্যা করো।
  4. উদ্দীপকের রতন যেন ‘কিশোর কাজি’ গল্পের নাজিম চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করেছে—উক্তিটির তাত্পর্য বিশ্লেষণ করো।

Others Subjects

Subjects Not Found